(খুসুসী দাওয়াতের ক্ষেত্রে ব্যক্তির দিকে খেয়াল রাখবো।যে নামায পড়ে না তাকে ইমান এবং নামাযের দাওয়াত দিয়ে তিনদিন বের হওয়ার দাওয়াত দিবো।সময় থাকলে পুরো ছয় নম্বর বলে তাশকীল করবো। আর যে নামায পড়ে তাকে তিনদিন বা চিল্লায় বের হওয়ার দাওয়াত দিবো)
১ম নমুনাঃপ্রথমে সালাম দিয়ে মুসাফাহা করবো।তারপর বলবো,
আলহামদুলিল্লাহ ভাই,আল্লাহ তা’আলার শোকরিয়া তিনি আমাদেরকে ঘুম থেকে জাগ্রত করেছেন।আমাদের মধ্যে অনেক মানুষ ছিলো যারা ঘুম থেকে আর জাগেনি।ঘুমের মধ্যেই এই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে।আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে দুনিয়াতে আমল করার জন্য আরো কিছু সময় দিলেন।আলহামদুলিল্লাহ।
ভাই আমরা মুসলমান।আল্লাহ তা’আলা দয়া করে আমাদেরকে দয়া করে একটি কালেমা দান করেছেন।সেই কালেমা হলো লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ। আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই।হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল।
এই কালেমার এত দাম যে, এই কালেমা যে অন্তর থেকে পড়বে এবং এ কালেমাকে বিশ্বাস করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।হাদীসে এসেছে, যার শেষ কথা হবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।(আবু দাউদ-৩১১৬)
ভাই মৃত্যুর সময় যেন এই কালেমা মুখে চলে আসে এ জন্য এ কালেমা বেশি বেশি পড়তে হবে।
ভাই,ইমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো নামায।আল্লাহ প্রতিটি মুসলমানের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন।কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব নেওয়া হবে।যার নামায ঠিক হবে সে জান্নাতে যাবে।আর যার নামায ঠিক পাওয়া যাবে না,তার ব্যাপারে জাহান্নামের শাস্তির কথা এসেছে।
ভাই,সাহাবায়ে কেরাম নবীজীকে জিজ্ঞেস করলেন, কোন আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়?নবীজী বললেন, সময় মত নামায আদায় করা।(বুখারী-৫২৭)।এজন্য ভাই আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করার চেষ্টা করবো।
ভাই,দেখেন আমাদের বাবা,দাদা,তার বাবা তারাও একদিন এই দুনিয়াতে ছিলো।অতঃপর দুনিয়া ছেড়ে চলে গিয়েছে।তারা এই দুনিয়ার জমি-জমা,ধনসম্পদ,টাকা-পয়সা কিছুই নিয়ে যেতে পারেনি।সাদা কাফনের কাপড় পরে খালি হাতে কবরে চলে গেছে।আমরাও একদিন এই দুনিয়া ছেড়ে কবরে চলে যাবো।আমাদের সঙ্গে কবরে কিছুই যাবে না।শুধু যাবে ইমান আর আমল।যদি এই ইমানও আমল নিয়ে আমরা কবরে যেতে পারি তাহলে কবর থেকেই আমাদের জান্নাতের জীবন শুরু হয়ে যাবে।আর ইমান ও আমল নিয়ে যদি কবরে না যাই তাহলে কবর থেকেই আমার জাহান্নামের শাস্তি শুরু হয়ে যাবে।এজন্য ভাই আমাকে আল্লাহর রাস্তায় বের হয়ে ইমান ও আমলের উপর মেহনত করতে হবে।মেহনত করে ইমান আমল শিখতে হবে এবং এর উপর আমল করতে হবে।তো ভাই নিয়ত আছে তো আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়ার?ভাই আপনার নাম?(এরপর পকেট থেকে কাগজ কলম বের করে নাম লিখে নিবো।)
ভাই,আমরা আপনাদের মহল্লার মসজিদে এসেছি।একদিন হলো।আরো দুদিন থাকবো।আপনি কখন আসবেন?(এরপর যে কোন এক ওয়াক্তে আসার জন্য বলবো।)
২য় নমুনাঃ প্রথমে সালাম দিয়ে মুসাফাহা করবো।তারপর বলবো,আলহামদুলিল্লাহ, ভাই,আল্লাহ তা’আলার শোকরিয়া তিনি আমাদেরকে ঘুম থেকে জাগ্রত করেছেন।আমাদের মধ্যে অনেক মানুষ ছিলো যারা ঘুম থেকে আর জাগেনি।ঘুমের মধ্যেই এই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছে।আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে দুনিয়াতে আমল করার জন্য আরো কিছু সময় দিলেন।আলহামদুলিল্লাহ।
ভাই,আমরা মুসলমান।আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে দয়া করে একটি দামি কালেমা দান করেছেন।সেই কালেমা হলো লা ইলাহা
ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদ নাই,হযরত মুহাম্মাদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল।
ভাই,এই কালেমার এত দাম যে, এই কালেমা যে ব্যক্তি খাঁটি দিলে পড়বে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।(মুসনাদে আহমদ-১৯৬৮৯)। হাদীসে এসেছে, যার শেষ কথা হবে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।(আবু দাউদ-৩১১৬)
ভাই মৃত্যুর সময় যেন এই কালেমা মুখে চলে আসে এ জন্য এ কালেমা বেশি বেশি পড়তে হবে।
ভাই,ইমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো নামায।আল্লাহ প্রতিটি মুসলমানের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন।কেয়ামতের দিন সর্বপ্রথম নামাযের হিসাব নেওয়া হবে।যার নামায ঠিক হবে সে জান্নাতে যাবে।আর যার নামায ঠিক পাওয়া যাবে না,তার ব্যাপারে জাহান্নামের শাস্তির কথা এসেছে।
ভাই,সাহাবায়ে কেরাম নবীজীকে জিজ্ঞেস করলেন, কোন আমল আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয়?নবীজী বললেন, সময় মত নামায আদায় করা।(বুখারী-৫২৭)।এজন্য ভাই আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামাতের সাথে আদায় করার চেষ্টা করবো।
ভাই, নামায সহীহ-শুদ্ধ না হলে তা আল্লাহ তা’আলার দরবারে কবুল হবে না।এজন্য নামায সহীহ-শুদ্ধ করে পড়তে হলে আমাদেরকে কেরাত সহীহ-শুদ্ধ করে শিখতে হবে।নামাযের ইলম শিখতে হবে।এই ইলম শেখার অনেক ফযীলত রয়েছে।যে ব্যক্তি ইলম শেখার জন্য কোন পথে চলে আল্লাহ তা’আলা তার জন্য জান্নাতের রাস্তা সহজ করে দেন।(তিরমিযী -২৬৪৬-হাসান)।এজন্য ভাই আমাদেরকে ইলম শিখতে হবে।
ভাই,ইলমের সাথে আমাদের মধ্যে যিকিরের গুণ আনতে হবে।সদা সর্বদা আল্লাহর ধ্যান-খেয়াল অন্তরে পয়দা করতে হবে।হাদীসে এসেছে,যে ব্যক্তি নির্জনে বসে আল্লাহর যিকির করে এবং তার চক্ষু থেকে অশ্রু প্রবাহিত হয় এমন ব্যক্তিকে আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন আরশের ছায়ায় স্থান দেবেন। (বুখারী-৬৬০)এজন্য আমরা সদা-সর্বদা আল্লাহর যিকির করার চেষ্টা করবো।ভাই,আমরা সকল প্রকার মাখলুকের প্রতি একরাম করবো।হাদীসে এসেছে,যে ব্যক্তি বড়দেরকে সম্মান করে না,ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং আলেমের হক অনুধাবন করে না (অর্থাৎ আলেমের হকের ব্যাপারে উদাসীন থাকে) সে মুসলমানদের অন্তর্ভুক্ত নয়।(মুস্তাদরাকে হাকেম-৪২৫-হাসান)
এজন্য ভাই আমরা বড়দেরকে সম্মান করবো,ছোটদের প্রতি দয়া করবো,আলেমদেরকে ইজ্জত করবো।
ভাই,আমরা সকল নেক কাজ করবো একমাত্র আল্লাহ তা’আলার জন্যই করবো।যে কাজ আল্লাহর জন্য করা হয় আল্লাহ তা’আলা কেবল সেই কাজই কবুল করেন।
আল্লাহকে রাজি খুশি করার জন্য যদি আমরা সামান্য নেক আমলও করি আল্লাহ তা’আলা এর বিনিময়ে ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত সওয়াব বাড়িয়ে দেন।আর যদি লোক দেখানো বা সুনামের জন্য কোন নেক আমল করি এর বিনিময়ে কোন সওয়াব পাওয়া যাবে না বরং শাস্তির মধ্যে পাকড়াও হতে হবে।
ভাই এই সকল গুণ যাতে করে আমার মধ্যে চলে আসে এজন্য আল্লাহর রাস্তায় বের হয়ে আমাকে ইমান ও আমলের উপর মেহনত করতে হবে।ইমান আমল শিখতে হবে।শুধু নিজে শিখলেই হবে না অপর ভাইকেও দাওয়াত দিতে হবে।কারণ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন,হে ইমানদারগণ,তোমরা নিজেদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনদেরকেও জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।(আত তাহরীম-৬)
ভাই,আমার দাওয়াতে কোন ভাই যদি নামাযী হয়ে যায়,ইবাদতগুজার হয়ে যায়, তো সে যত ইবাদত-বন্দেগী করবে এর সমপরিমাণ সওয়াব আমাকেও দেয়া হবে।(মুসলিম-২৬৭৪)এতো বড় লাভের কাজ করতে আমি রাজি আছি এবং আপনাকেও দাওয়াত দিচ্ছি।ভাই নিয়ত আছে তো ইনশা আল্লাহ।
.jpeg)