তারুফী বয়ান - iAlo24.Blogspot.Com

রবিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৩

তারুফী বয়ান

তারুফী বয়ান

ভাই,আল্লাহ তাআলার নিকট সবচেয়ে প্রিয় হলো দীন।দীন হলো আল্লাহর হুকুম এবং নবীর তরীকা।যতদিন এই পৃথিবীতে দীন থাকবে আল্লাহ তাআলা আসমানকে ঠিক রাখবেন,যমীনকে ঠিক রাখবেন।যখন পৃথিবীতে দীন থাকবেনা তখন আল্লাহ তাআলা এই পৃথিবী ধ্বংস করে দিবেন।

ভাই,আমরা প্রত্যেকে সফলতা চাই।ব্যবসায়ী চাই সে যেন সফলকাম হয়ে যায়।ডাক্তার চাই সে যেন সফলকাম হয়ে যায়।ইঞ্জিনিয়ার চাই সে যেন সফলকাম হয়ে যায়।জমির মালিক চাই সে যেন সফলকাম হয়ে যায়।বাগানের মালিক চাই সে যেন সফলকাম হয়ে যায়।প্রতিটা ব্যক্তি চাই সে যেন সফলকাম হয়ে যায়।

ভাই,আল্লাহ তাআলা সফলতা রেখেছেন একমাত্র দীনের মধ্যে।যারা দীন মানবে,দীন অনুযায়ী নিজের জীবনকে পরিচালনা করবে তারা দুনিয়াতে সফলকাম হবেন আখিরাতেও সফলকাম হবেন।যারা দীন মানবেনা,দীন অনুযায়ী চলবেনা তারা দুনিয়াতেও অশান্তিতে ভুগবেন,আখিরাতেও আযাবের মধ্যে পাকড়াও হবেন।

মানুষ যখনই দীন থেকে গাফেল হয়ে গেছে, আখিরাতকে ভুলে দুনিয়ামুখী হয়েছে,একমাত্র আল্লাহ তাআলার উপর ভরসাকে ছেড়ে সৃষ্ট বস্তুর উপর ভরসা করেছে তখনই আল্লাহপাক মানুষের কামিয়াবী ও নাজাতের জন্য পর্যায়ক্রমে লক্ষাধিক নবী রাসূলকে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। প্রত্যেক নবী রাসূলই মানুষকে এক আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিয়েছেন। দাওয়াতের এই মেহনত করতে গিয়ে প্রত্যেক নবীকেই কষ্ট মুজাহাদা করতে হয়েছে। সর্বশেষে আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও কষ্ট করতে হয়েছে।

আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দীনের দাওয়াত সর্বপ্রথম মক্কাতে দেন, কিন্তু মক্কার বেশিরভাগ লোক তাঁর দাওয়াত কবুল করেনি বরং নির্যাতন করেছে। এমন নির্যাতন করেছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে গলা ধাক্কা দিয়েছে, নবীজী যখন নামাযরত অবস্থায় ছিলেন তখন উটের নাড়িভুঁড়ি নবীজীর মাথায় চাপিয়ে দিয়েছে।

মক্কার লোকজন যখন দাওয়াত কবুল করলো না, তখন হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তায়েফে গেলেন। তায়েফের লোকজন নবীজীর দাওয়াত তো কবুল করলোই না বরং এমন অমানবিক নির্যাতন করলো যা আজও ইতিহাসে বিরল। পরবর্তীতে হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাআলার নির্দেশে মদীনায় হিজরত করলেন।মদীনাবাসী নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বদিক দিয়ে নুসরত করলেন, সাহায্য করলেন।এর ফলে মদিনা থেকে দীন জিন্দা হলো এবং মদীনা থেকে ধীরে ধীরে সারা পৃথিবীতে দীন ছড়ালো।

ভাই একটি দীনী জামাত আপনাদের মহল্লার মসজিদে এসেছে।আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে করে নিয়ে এসেছি। আপনারা যদি সময় দিয়ে, রাহবারী করে আমাদেরকে সাহায্য করেন,যে সকল ভায়েরা নামায পড়েনা দীন থেকে দূরে আছে তাদের কাছে নিয়ে যান তাহলে হতে পারে এখানেও দীন জিন্দা হবে।এখান থেকেও দীন প্রসার ঘটবে।ইনশাআল্লাহ।কোন কোন ভাই আমাদের সহযোগীতা করতে প্রস্তুত আছেন?

এ বিভাগের আরো লেখা

(শর্ট) তাবলীগের ছয় নম্বর

(ফুল) তাবলীগের ছয় নম্বর

গাশতের আদব

তারুফী বয়ান

ইমান একীনের কথা

মুতাকাল্লিমের দাওয়াত (আছর বাদ গাশতে বের হয়ে যা বলবো তার কিছু নমুনা )

ফজর নামাযের পরে গাশতে বের হয়ে যা বলবো তার কিছু নমুনা

মাশওয়ারা,তালীম,১২ কাজ,গাশত পাঁচ প্রকার,ইজতেমায়ী আমল,মসজিদে যেসব কাজ নিষিদ্ধ

Pages