সাহাবায়ে কেরাম দারিদ্র্যতাকে পছন্দ করতেন।আর আমরা দারিদ্র্যতাকে অপছন্দ করি।দারিদ্র্যতা এলে মনে করি আল্লাহ হয়তো আমার প্রতি অসন্তুষ্ট।সম্পদ পেলেই খুশি হই।সম্পদ বাড়লে মনে করি আল্লাহ আমার প্রতি খুশি।আর সাহাবায়ে কেরামের সম্পদ বেশি হলে মনে করতেন দুনিয়াতেই হয়তো আমাকে সব দিয়ে দেয়া হচ্ছে।আখিরাতে কিছুই নাই।
সম্পদ বেশি হওয়া আল্লাহ তাআলার প্রিয় হওয়ার কারণ নয়।আর কম হওয়া আল্লাহ আমার প্রতি অসন্তুষ্ট এটাও নয়।বরং আল্লাহ তাআ'লা কাউকে সম্পদ দিয়ে পরীক্ষা করেন, কাউকে না দিয়ে পরীক্ষা করেন।
তাই অভাব এলে সবর করুন।খুশি মনে মেনে নেন।প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহ তাআ'লার কাছে দোয়া করুন।
সম্পদ বাড়তে থাকলে মনে করবেন না আল্লাহ তাআ'লা আপনার প্রতি খুশি।বরং মনে করবেন আল্লাহ তাআ'লা আপনাকে পরীক্ষা করছেন।সম্পদের পিছনে পড়ে যদি ইবাদত বন্দেগী কমে যায়,নামায ছুটতে থাকে তাহলে মনে করবেন আল্লাহ তাআ'লা আপনাকে সম্পদের টোপ দিয়ে ধীরে ধীরে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।এ সময় সম্পদকে লাথি মেরে আল্লাহ তাআ'লার ইবাদতে মনোনিবেশ করুন।এবং প্রয়োজন পূরণের মত রিযিক উপার্জনের প্রতি ক্ষান্ত হন।
সম্পদ আল্লাহ তাআ'লার পক্ষ থেকে বন্টিত।আপনার ভাগ্যে যতটুকু সম্পদ আছে তা আপনার জুটবে।আপনার রিযিক থেকে যাবে আর আপনার মৃত্যু হবে এমনটিও হবে না।বরং আপনার রিযিক খেয়েই আপনি মারা যাবেন।তাই সম্পদ আসতে দেরী হলে হারাম ভাবে সম্পদ উপার্জনের দিকে পা বাড়াবেন না।
আপনার উপার্জন যতটুকু সেই অনুযায়ী খরচ করুন।সম্পদ কম কিন্তু বড়লোকি ভাব।তাহলে আপনি ঋণগ্রস্ত হবেন এবং বিভিন্ন পেরশানির মধ্যে পড়ে যাবেন। তাই যতটুকু সম্পদ সেই অনুযায়ী খরচ করুন।ঋণ হবেনা।পেরেশান মুক্ত থাকবেন।
ভাল গাড়ি, ভাল বাড়ি,বড় বড় বাগান,বিপুল ধন সম্পদ সুখ এনে দিতে পারেনা।সুখে থাকার জন্য এগুলোর জরুরত নেই।দুবেলা দু মুঠো ভাত,সুস্থ দেহ,সুস্থ মন, ঋণমুক্ত জীবন, কেস মামলা থেকে নিরাপদ থাকা আর আল্লাহ তাআ'লার ইবাদত বন্দেগী যথাযথ ভাবে আদায় করতে পারা এটিই হলো সুখের বড় কারণ।
➤➤আরো পোস্ট পড়ুন.
এপ্রিল ২০১৯,অক্টোবর ২০১৯,ফেব্রুয়ারী ২০২১,আগস্ট ২০২১,সেপ্টেম্বর ২০২১,অক্টোবর ২০২১,জানুয়ারি ২০২২,জানুয়ারি ২০২৩,ফেব্রুয়ারী ২০২৩
