দাদার কাফন দাফন শেষ হলো।সকালে গিয়ে দেখলাম দাদাকে।নূরানী তাঁর চেহারা।দাদা বড় ভাগ্যবান।মৃত্যুর সময় কালেমা পড়তে পড়তে ইন্তেকাল করেছেন।আমার এক স্যার মৃত্যুর সময় দাদার কাছে ছিলেন।দাদার মৃত্যু দেখেছেন তিনি খুব কাছে থেকে।তিনি আমাকে বললেন, এরকম আরামদায়ক মউত কারো দেখিনি।
মুমিনের মৃত্যু এমনই হয়।আটার খামিরা থেকে চুল টানলে যেমন সহজে বের হয়।বাচ্চা দুধ পান করতে করতে যদি ঘুমিয়ে যায় আর মা বাচ্চার মুখ থেকে স্তনের বোটা যেমন সহজে বের করে নেয়,বাচ্চা টেরই পাইনা।মুমিনের মৃত্যু এমনই হয়।সে তেমন কষ্ট পায়না।
তবে কখনো কখনো এমনো হয় মুমিনের মৃত্যু কষ্টাদায়ক হয় ।এর কারণ হলো তার কিছু গুনাহ বা ভুল ত্রুটি থেকে গিয়েছিলো।মৃত্যুর কষ্টের মাধ্যমে আল্লাহ তার সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে, তাকে পবিত্র করে নিজের কাছে ডেকে নেন।যেন পরকালে সে কোন আযাবে পতিত না হয় ।
কাফের ,মুনাফিক ,নাফরমান,বে নামাযী মুসলমানের মৃত্যু খুব কষ্টের হয় ।ফিরিশতারা তাদের মারতে মারতে জান কবয করেন ।
তবে কখনো কখনো কাফের ,মুনাফিকের মৃত্যুও সহজে হয় ।এর কারণ হলো তার আমলনামায় কোন নেকি থেকে গিয়েছিলো।আর এ কারণে তার মৃত্যু সহজ করে তার নেকির প্রতিদান দিয়ে দেয়া হয় দুনিয়াতেই।আখিরাতে যেন কোন নেকি বাকী না থাকে।আর আযাব ও যেন বেশি করে দেয়া যায়।
দাদা নামাযের ব্যাপারে খুব যত্নবান ছিলেন।কঠিন অসুস্থতার সময় ও যখন আযান শুনতেন তিনি অস্থির হয়ে যেতেন।নামায পড়ার পর শান্ত হতেন।আল্লাহ দাদাকে ক্ষমা করুন।আমীন।
এজন্য আমরা নামাযের ব্যাপারে যত্নবান হবো।সময় মত নামায পড়বো।নামাযে কখনো অলসতা করবোনা।আল্লাহ তাওফিক দান করুন।আমীন।
২৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮
