জীবনের অনেক বছর অতিবাহিত হয়ে গেল।মৃত্যুও অতি নিকটবর্তী ।কিন্তু আমরা উদাসীন।মৃত্যু হয়ে গেলে চিরকালের জীবনে পাড়ি জমাতে হবে।সেখানে কেমন হবে আমার জীবন তা অজানা।চলে গেলে আমল করার আর সুযোগ নেই।
নামায কালাম ইবাদত বন্দেগী করলেও জীবনের সময়গুলো চলে যাবে।গান,সিনেমা,খেলাধূলায় লিপ্ত হলেও সময়গুলো চলে যাবে।যে ভালোটা গ্রহণ করবে মৃত্যুর পর ভালো জীবন পাবে আর যদি খারাব ভাবে সময় অতিবাহিত করে তাহলে খারাব টাই পাবে।
মৃত্যুর পর কি হবে এই নিয়ে ভাবতে হবে।কারণ পরীক্ষা মাত্র একবার।যদি পাশ করি তাহলে অনন্তকালের সুখের জীবন লাভ হবে।আর যদি ফেল করি দ্বিতীয় বার আর সুযোগ নেই ।কোন সুযোগ নেই।
এবার চিন্তা করি কত গুরুত্বপূর্ণ আমাদের দুনিয়ার জীবন।মাদরাসা,স্কুল,কলেজে পরীক্ষা এগুলোতো খুব সহজ।এসব পরীক্ষায় ফেল করলে সুযোগ আছে দ্বিতীয় বার পাশ করার।
কিন্তু কবরের পরীক্ষায় ?
সুযোগ কি আছে দ্বিতীয় বার ?কোন প্রকার সুযোগ নেই।কেউ মেডিকেলে পরীক্ষা দিল।চান্স হলোনা।পরবর্তী বছর পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ আছে।কিন্তু হাশরের মাঠে ?
সেদিন তো অনেকে বলবে আল্লাহ আর মাত্র একবার সুযোগ দেন আমি দুনিয়াতে গিয়ে শুধু আপনারই গোলামি করব।কিন্তু আল্লাহ বলবেন সুযোগ একবার।ফিরিশতাদের হুকুম দিবেন জাহান্নামে নিক্ষেপ করার।
জীবনের সময়গুলো অনেক মূল্যবান।এই একটা মাত্র জীবনের উপর নির্ভর করছে আমাদের পরকালের চিরস্থায়ী জীবন।মন মত চলে পরকালে নাজাত পাওয়ার আশা করা বোকামী ছাড়া আর কিছুই নই।কেউ একজনের অফিসে কাজ করে।এখন যদি মালিকের কথামত না চলে, কাজ ঠিকমত না করে তাহলে বেতন কি পাবে ?না ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিবে।
অনুরুপ কেউ নামায পড়লোনা,রোযা রাখলোনা,শরীয়ত অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করলোনা,গান, সিনেমা ,খেলাধুলায় জীবন কাটিয়ে পরকালে পাড়ি দিল সে কি সুখের জীবন লাভ করবে ?কখনোই নয়।এইজন্য আমাদের সতর্ক হতে হবে।কখন ডাক চলে আসে জানা নেই।আর জীবন মাত্র একটিই।
