দিনলিপি ২৫ শে আগষ্ট ২০২১ - iAlo24.Blogspot.Com

শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১

দিনলিপি ২৫ শে আগষ্ট ২০২১


আছরের নামায হাঁটখোলা মসজিদে পড়লাম।ফজলুর রহীমের সাথে কথা হয়েছিলো।আছরের পর আজকে মাদরাসায় যাবো।আছরের নামাযের পর এ মসজিদে তালীম হয়।তালিমের পর নিত্য দিন অল্প সময় তাবলীগের গাশত হয়।আগামী শুক্রবার হাটখোলা থেকে তিন দিনের জামাত যাবে।সে উদ্দেশ্যে আজকের মেহনত।তিনজন করে দুইটা দলে বিভক্ত হয়ে তিনদিনের মেহনতের উদ্দেশ্যে বের হলাম।কয়েকজনকে দাওয়াত দিলাম।

দাওয়াত শেষে মাদরাসার দিকে হাঁটা শুরু করলাম।আড়তের মোড়ে ফজলুর রহীমকে কল দিলাম।সে বাড়িতে।তাকে জলদি আসতে বললাম।পথিমধ্যে মনে পড়লো রহমতুল্লার কথা।সে বলেছিলো,তোমার অর্ডারের কিতাব চলে এসেছে।কুতুবখানায় গিয়ে নিয়ে আসিয়ো।কুতুবখানায় গেলাম।অর্ডার দেয়া ছিলো জালালাইন এবং হেদায়া ১ম ও ২য় খন্ড কম্পিউটার নোসখা।

কাফিয়া থেকেই কম্পিউটার নোসখাগুলো কেনা শুরু করেছি।কম্পিউটার নোসখা গুলো পড়তে ভালো লাগে।বিশেষ করে হাশিয়া পড়ার জন্য আরো কেনা।সব হাশিয়া পড়া না হলেও যেখানে বুঝতে পারিনা হাশিয়া দেখি।কিন্তু পুরাতন নোসখায় কষ্ট হতো বলে সেটাও দেখা হতোনা।কম্পিউটার নোসখার দাম বেশি।পুরাতন নোসখার দ্বিগুণ।কিতাব কিনে কখনো মনে হয়নি টাকা অপচয় হচ্ছে।বেশি খরচ হচ্ছে।কিতাব কিনতে ভালো লাগে যত দামই লাগুক।

জালালাইন দুই খন্ডের দাম নিলো সাড়ে আটশ,হেদায়া ১ম ও ২য় নিলো ১০৮০ টাকা।পুরাতন নিলে ১০০০ টাকায় হয়তো হয়ে যেতো।কিন্তু দাম বেশি হলেও কম্পিউটার নোসখাটাই ভালো লাগে।অবশ্য কিতাব বাকীতে নিয়ে পুরো বছরে পরিশোধ করি।হাফেজ আবদুর রহীম সাহেব হুজুরের কুতুবখানা থেকে সারা বছর দরসী - গায়রে দরসী মিলে ৫-৬ হাজার টাকার কিতাব কেনা হয়।এজন্য হুজুরের কাছে বাকী পাওয়া যায়।টাকা পরিশোধ করতে থাকি,কিতাবও নিতে থাকি।

কুতুবখানাতে জাওয়াল বেজে উঠলো।ফজলুর রহীমের কল।কল ধরে বললাম,একটু অপেক্ষা কর।কিতাব নিয়ে আসছি।কিতাবগুলো নিতে দেরী হচ্ছিলো।মেমোতে দাম দেখছিলো রিয়াজ ভাই।এজন্য দেরী হচ্ছিলো।ফজলুর রহীমের আবার কল।বাইরে বের হয়ে হাত দিয়ে ইশারা করলাম কুতুবখানার দিকে আসতে।সে দাদা মসজিদের পাশে দাড়িয়ে ছিলো।সে এলো।সেও কিতাবগুলো দেখলো।

তারপর কিতাব গুলো নিয়ে মদারাসার দিকে রওনা হলাম।দাদা মসজিদের কাছে গিয়ে ভাবলাম কিতাবগুলো নিয়ে কোথায় রাখবো।মাদরাসায় বহন করে নিয়ে যেতে মনে সায় দিলোনা।আমাদের ছাত্রবাস বন্ধ।আবার মাগরিবের সময় কাছাকাছি।তাই দাদা মসজিদে ভেতরের তাকে রাখালাম।মন আশ্বস্ত ছিলো যে কেউ এখান থেকে নিবেনা।

মাদরাসা গেলাম।তারপর হাজী আবদুর রহীম সাহেব হুজুরের কামরায় গেলাম।হুজুরের সাথে সাক্ষাৎ করলাম।আলাপচারিতা শেষে মাগরিবের নামায মাদরাসার মসজিদে পড়লাম।অতঃপর দাদা মসজিদে এসে কিতাবগুলো নিয়ে চলে এলাম।

Pages