১৫ অক্টোবর ২০১৯ - iAlo24.Blogspot.Com

বুধবার, আগস্ট ২৫, ২০২১

১৫ অক্টোবর ২০১৯

রাত ৪ টা ১০। মোবাইলের এলার্মে ঘুম ভাঙ্গলো।ঘুম থেকে উঠলাম।জরুরত সেরে অযু করলাম।রুমে আসলাম।চার রাকাত নামায পড়লাম।দুই রাকাত সালাতুত তাওবা আর সালাতুল হাজাত এর নিয়তে।আর দুই রাকাত তাহাজ্জুদের নিয়তে।তাহাজ্জুদ না পড়লে কেন জানি মনে হয় আমি গুনাহ করছি।

অনেক সময় তাহাজ্জুদ ছুটে যেত।তখন শুধু আফসোস আর অনুশোচনা হতো।তারপর এক কাজ করলাম।শেষ রাতে উঠা কষ্টকর হয়ে যেত।ঘুমাতে দেরী হতো বলে।তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে পড়ে নিতাম।এভাবে চললো।পরীক্ষার সময় রুটিন পরিবর্তন হলো।এখন শেষরাতে।

নামায পড়ে দীর্ঘসময় দোয়া করলাম।দশ মিনিট মত।গুনাহের কথা স্বরণ করে কান্না করার চেষ্টা করি।কোনদিন অনেক অনেক অশ্রু বের হয়।কোনদিন অল্প হয়।কোনদিন হয়না।আল্লাহ যেদিন যেমন চান তাই হয়।বান্দার কোন হাত নাই।তারপর মেসেঞ্জারে গিয়ে দেখলাম কে কে আছে?
আটজনকে পেলাম।এরাও হয়তো তাহাজ্জুদ পড়েন।

তারপর কুরআন পড়তে বসলাম।হাফ পারা মত পড়লাম।সুন্নাত পড়লাম।ফরয পড়তে মসজিদে গেলাম।নামায পড়ে যিকির-আযকার করলাম।মাসজিদে বসে সূরা ইয়াসীন পড়লাম।তারপর বাসায় আসলাম।আরো হাফপারা কুরআন তিলাওয়াত করলাম।জরুরত সেরে অযু করে ইশরাক পড়লাম।আর বিগত জীবনে কাযা হয়ে যাওয়া ফজরের নামায পড়লাম।আট-নয় মাস মত কাযা আদায় করা হয়েছে।এখনো অনেক বাকী........

তারপর হালকা কিছু নাস্তা করে ঘুমালাম।৯ টায় উঠলাম।গোসল করলাম।বাজার করে আনলাম।খেলাম।আবার বিছানায়।ওয়াজ শুনলাম।ডিলিট করছি যেগুলো ভালো লাগেনা।ভাগিনা মেমোরি নিয়ে গিয়ে গজল আর ওয়াজ লোড করে নিয়ে এসেছিল।সেভাবেই আছে।দেখার সময় হয়না।

ওয়াজ শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে গেছিলাম।১ টায় ঘুম ভাঙ্গলো।জরুরত সেরে অযু করে মসজিদে গেলাম।যোহরের নামায আদায় করলাম।অতঃপর বাসায় আসলাম।খেলাম।তারপর কিছু কাজ করলাম।তারপর হাফ পারা কুরআন তিলাওয়াত করলাম।খাতায় অনেক লেখা জমা আছে।একটা লেখা টাইপ করলাম।আমার ব্লগে পোস্ট করলাম।পোস্টের লিংক মেসেজ করে পাঠালাম আত্মীয়-বন্ধুদের কাছে।

আছরের সময় হলো।অযু করে মাসজিদে গেলাম।আছর আদায় করলাম।তারপর হাফ পারা কুরআন পড়লাম।দরুদ শরীফ একশত বারের মত পড়লাম।বাজার গেলাম।এক প্যাকেট আটা নিয়ে আসলাম।তারপর ভুতা চাচাকে দেখতে গেলাম।দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্যারালাইসিস হয়ে বাড়িতে আছেন।তিনি খুব খুশি হলেন।তাঁকে সান্ত্বনার বাণী শোনালাম।মাগরীব পর্যন্ত তাঁর কাছেই থাকলাম।

মাগরীব পড়ে মাসজিদেই যিকির আযকার এবং সূরা ওয়াকেয়া পড়লাম।তারপর বড় মাদরাসার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।মাদরাসায় গিয়ে মাওঃ শাহজামাল সাহেব হুযূরের কাছে গেলাম।সেখান থেকে গেলাম মাওঃ ইসহাক সাহেব হুযূরের কাছে।তিনি ছিলেন না।তারপর গেলাম কাফিয়ার ছাত্র কামরায়।তাদের সাথে দেখা করলাম।তারপর ফযলুর রহীম এর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করলাম।

ইশারের সময় হলো।নামায পড়তে গেলাম।রুম থেকে বের হয়ে পাশের রুমে দেখলাম হেলাল আর আরিফ এসেছে। তারা বাইরে পড়তে গেছে।তাদের সাথে সালাম এবং মুসাফা করলাম।ইশার নামায পড়ে মাওঃ ইসহাক সাহেব হুযূরের কাছে গেলাম।পেলাম না।সেখান থেকে গেলাম মাওঃ শাহেদ সাহেব হুযূরের কাছে।সালাম দিয়ে ঘরে প্রবেশ করতেই দেখি মাওলানা হাসান সাহেব হুযূর গবিড়াকুড়ি বসে আছেন।উভয় হুযূরের সাথে দেখা -সাক্ষাৎ করলাম।বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ আলোচনা হলো।

সেখান থেকে গেলাম মাওলানা ক্বারী মাযহারুল সাহেব হুযূরের কাছে।হুযুরের সাথে সাক্ষাৎ করলাম।বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করলাম।তারপর গেলাম মাওলানা আবুল কাশেম হুযুরের কাছে।হুযূর রুম থেকে বের হয়ে গেছেন।শুধু সালাম হলো।কথা হলোনা বেশি।

তারপর গেলাম মাওঃ শাহজামাল হুযূরের কাছে।সেখান থেকে বাসার পথে হাঁটতে লাগলাম।সূরা মূলক পড়তে বাকী ছিল।হাঁটতে হাঁটতে পড়ে ফেলাম।অতঃপর বাসায় আসলাম।খেলাম।ফেসবুক অপেন করলাম।মেসেঞ্জার রিপ্লে দিলাম।অতপর ঘুমাতে গেলাম।

১৫ অক্টোবর ২০১৯
রাত ১১:১৫
দিঘীপাড়া,পোরশা

Pages