যদি একবছর লাগাতার বৃষ্টি হয়, আমাদের কারো ক্ষমতা আছে প্রতিহত করার? কারো নেই।আল্লাহ ইচ্ছা করলে আমাদেরকে পানিতে ডুবিয়ে মারতে পারেন।সবকিছু জেনে,সবকিছু বুঝে আমরা না বোঝার ভান করি।
কেন আমরা আল্লাহর নাফরমানি করি? কেন তাঁর আদেশের বিপরীত চলি?আমরা কি আল্লাহর হুকুমের বিপরীত চলে আল্লাহর সামান্য ক্ষতি করতে পারবো?পারবোনা।কখনোই পারবোনা।
পৃথিবীতে যে সমস্ত বিপদ আসে,আমাদের কর্মের কারণেই আসে।আমাদের গুনাহের কারণেই আসে।আল্লাহ তায়ালা তো মহান।তিনি তো বড় করুণাময়,অতি দয়ালু।তিনি বান্দাকে নিজ কুদরতি হাত দ্বারা খুব মহব্বত করে বানিয়েছেন।তিনি তো প্রিয় বান্দাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করতে পারেন না।আমরা যদি সকলেই তাঁর আদেশ মেনে চলি,তিনি আমাদের সকলকেই জান্নাত দান করবেন।
যারা মানবেনা তাদেরকে তো তিনি জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেনই।আমরা হলেও তো তাই করতাম।ধরুন,আপনি একটি রোবট তৈরী করলেন।খুব পরিশ্রম করে,খুব যত্নের সাথে।রোবট তৈরী করার পর সেই রোবট আপনার বিপরীত কাজ করে।আপনি বলেন একটা,আর করে আরেকটা।আপনি তাকে ডানদিকে যেতে বলেন,আর সে যায় বামদিকে।আপনি কি এর সাথে ভালো ব্যবহার করবেন?
করবেন না।বরং একসময় রাগ করে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে নর্দমায় নিক্ষেপ করবেন।এখন কেউ যদি বলে আপনি রোবটের উপর যুলুম করেছেন।আপনি কি তা মানবেন?মানবেন না।ঠিক এরুপই আল্লাহ আমাদেরকে মহব্বত করে বানিয়েছেন।তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন যেন আমরা তাঁর আনুগত্য করি।
তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলি।
অতঃপর কেউ যদি এখন তাঁর অবাধ্য চলে,তিনি যা আদেশ করেছেন তার বিপরীত চলে,যা নিষেধ করেছেন তা করে তিনি তাকে জাহান্নামের নর্দমায় নিক্ষেপ করবেনই।আমরা যেমন অবাধ্য রোবটের প্রতি দয়া করিনা।তিনিও পরকালে অবাধ্যদের প্রতি দয়া করবেন না।অবাধ্য রোবট যেমন অপদার্থ,মূল্যহীন,নর্দমার উপযুক্ত।ঠিক তেমনই অবাধ্য মানুষ অপদার্থ,মূল্যহীন,জাহান্নামের উপযুক্ত।
আল্লাহ তায়ালা তো অবাধ্যদের পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট বলেছেন।কারণ পশুরা আল্লাহর হুকুম মেনে চলে।তাঁর প্রশংসা করে।কিন্তু যে মানুষ আল্লাহর দানকৃত খাবার খায়,তাঁর দানকৃত বস্তু থেকে উৎপাদিত পোশাক ব্যবহার করে,তাঁর দেয়া পানি পান করে তৃষ্ণা মেটায়,যাবতীয় নিয়ামত ভোগ করে। অথচ সে আল্লাহর হুকুম মত চলেনা। তাঁর প্রতি প্রশংসা জ্ঞাপন করেনা।তাঁর মত নিকৃষ্ট আর কে আছে?
তাই আসুন,আমরা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি।নিজের কুপ্রবৃত্তি পরিত্যাগ করি।আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলি।নিজেকে নিকৃষ্ট মানুষের দল থেকে বের করে উৎকৃষ্ট মানুষের দলে অন্তর্ভুক্ত করি।আল্লাহর কাছে কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা চাই।আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে সম্মানজনক জীবন দান করবেন।পরকালে জান্নাত দান করবেন।
আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তাওফীক দান করুন।আমীন।
কেন আমরা আল্লাহর নাফরমানি করি? কেন তাঁর আদেশের বিপরীত চলি?আমরা কি আল্লাহর হুকুমের বিপরীত চলে আল্লাহর সামান্য ক্ষতি করতে পারবো?পারবোনা।কখনোই পারবোনা।
পৃথিবীতে যে সমস্ত বিপদ আসে,আমাদের কর্মের কারণেই আসে।আমাদের গুনাহের কারণেই আসে।আল্লাহ তায়ালা তো মহান।তিনি তো বড় করুণাময়,অতি দয়ালু।তিনি বান্দাকে নিজ কুদরতি হাত দ্বারা খুব মহব্বত করে বানিয়েছেন।তিনি তো প্রিয় বান্দাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করতে পারেন না।আমরা যদি সকলেই তাঁর আদেশ মেনে চলি,তিনি আমাদের সকলকেই জান্নাত দান করবেন।
যারা মানবেনা তাদেরকে তো তিনি জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেনই।আমরা হলেও তো তাই করতাম।ধরুন,আপনি একটি রোবট তৈরী করলেন।খুব পরিশ্রম করে,খুব যত্নের সাথে।রোবট তৈরী করার পর সেই রোবট আপনার বিপরীত কাজ করে।আপনি বলেন একটা,আর করে আরেকটা।আপনি তাকে ডানদিকে যেতে বলেন,আর সে যায় বামদিকে।আপনি কি এর সাথে ভালো ব্যবহার করবেন?
করবেন না।বরং একসময় রাগ করে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে নর্দমায় নিক্ষেপ করবেন।এখন কেউ যদি বলে আপনি রোবটের উপর যুলুম করেছেন।আপনি কি তা মানবেন?মানবেন না।ঠিক এরুপই আল্লাহ আমাদেরকে মহব্বত করে বানিয়েছেন।তিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন যেন আমরা তাঁর আনুগত্য করি।
তাঁর আদেশ-নিষেধ মেনে চলি।
অতঃপর কেউ যদি এখন তাঁর অবাধ্য চলে,তিনি যা আদেশ করেছেন তার বিপরীত চলে,যা নিষেধ করেছেন তা করে তিনি তাকে জাহান্নামের নর্দমায় নিক্ষেপ করবেনই।আমরা যেমন অবাধ্য রোবটের প্রতি দয়া করিনা।তিনিও পরকালে অবাধ্যদের প্রতি দয়া করবেন না।অবাধ্য রোবট যেমন অপদার্থ,মূল্যহীন,নর্দমার উপযুক্ত।ঠিক তেমনই অবাধ্য মানুষ অপদার্থ,মূল্যহীন,জাহান্নামের উপযুক্ত।
আল্লাহ তায়ালা তো অবাধ্যদের পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট বলেছেন।কারণ পশুরা আল্লাহর হুকুম মেনে চলে।তাঁর প্রশংসা করে।কিন্তু যে মানুষ আল্লাহর দানকৃত খাবার খায়,তাঁর দানকৃত বস্তু থেকে উৎপাদিত পোশাক ব্যবহার করে,তাঁর দেয়া পানি পান করে তৃষ্ণা মেটায়,যাবতীয় নিয়ামত ভোগ করে। অথচ সে আল্লাহর হুকুম মত চলেনা। তাঁর প্রতি প্রশংসা জ্ঞাপন করেনা।তাঁর মত নিকৃষ্ট আর কে আছে?
তাই আসুন,আমরা আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করি।নিজের কুপ্রবৃত্তি পরিত্যাগ করি।আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলি।নিজেকে নিকৃষ্ট মানুষের দল থেকে বের করে উৎকৃষ্ট মানুষের দলে অন্তর্ভুক্ত করি।আল্লাহর কাছে কৃত গুনাহের জন্য ক্ষমা চাই।আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে সম্মানজনক জীবন দান করবেন।পরকালে জান্নাত দান করবেন।
আল্লাহ আমাদেরকে বোঝার তাওফীক দান করুন।আমীন।
অন্যান্য লেখাগুলো
এপ্রিল ২০১৯,অক্টোবর ২০১৯,ফেব্রুয়ারী ২০২১,আগস্ট ২০২১,সেপ্টেম্বর ২০২১,অক্টোবর ২০২১,জানুয়ারি ২০২২,জানুয়ারি ২০২৩,ফেব্রুয়ারী ২০২৩
